সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠার ৭টা উপায় !!!

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠার ৭টা উপায়

সকাল বেলার আলসেমী টা আমাদের সবার কম বেশি লাগে। আর ৫ টা মিনিট যদি বেশি ঘুমাতে পারতাম তাহলে মনে হয় সবচেয়ে বেশি সুখি হতে পারতাম। এমন টাই মনে হয় সকালের ঘুমের ঘোরে জখন আ্যলার্ম টা বাজে। কিছুতেই ছাড়তে ইচ্ছে করেনা বিছানা। তবে উঠতে আমাদের হয়ই ।

যারা সফল ব্যাক্তি এখনো পর্যন্ত, তাদের কেউ এ ঘুম কে প্রাধান্য দিয়ে বড় হতে পারেননি, তাদের সবার এ রয়েছে অনেক ঘুম বিশর্জন দেওয়ার গল্প।
আর তাই আমাদেরও উচিত সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠর অভ্যাস করা। আর এ জন্য কিছু উপায় ব্যাবহার করলে জিনিসটা আরো সহজ হয়ে জায়।
চলুন দেখাযাক কি কি উপায় আছে

১. ঘুম কে প্রাধান্য দিনঃ ঘুম আমাদের জন্য অন্নতম গুরুত্তপূর্ণ জিনিস। সারাদিন কাজ শেষে অবশ্যই আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে। ঘুম ঠিক মত না হলে আমাদের দিনের শুরুটাই হবে ক্লান্তি আর অবসাধ দিয়ে এবং পুরো দিনটাই যাবে ঘোলাটে ভাবে। আমাদের কোন দিন যাতে আর ঘোলাটে না হয় এ জন্য এখন থেকে চেস্টা করতে হবে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে জাওয়ার। রাতের খাওয়ার শেষে খুব বেশি সময় ধরে ফেইসবুকিং, চ্যাটিং এগুলা না করে যদি আমরা ১১টার মদ্ধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে পারি, তাহলে পর দিন ৭টায় ঘুম থেকে উঠা আপনার জন্য খুব ইজি হয়ে যাবে। ৭ ঘন্টার বেশি ঘুমাতে আপনার নিজের শরীরই চইবেনা। পাশাপাশি আপনার দিনটা  শুরু হবে ফুরফুরা মেজাজ নিয়ে।

২. পদক্ষেপ নিনঃ আপনি সিদ্ধান্ত নিন আপনি সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠবেন। এই পদক্ষেপ টা যদি আপনি মন থেকে নিতে পারেন তাহলে দেখবেন আপনার জন্যে ঘুম থেকে উঠা টা এক্টু বেশিই সহজ হয়ে গিয়েছে। আমরা যখন কোন কিছু করবো বলে সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমাদের শরীর এবং মন ২টাই আমাদের সাপোর্ট দেয়।

৩. সময় নির্ধারন করুনঃ আমরা ছোট কাল থেকেই পড়ে আসছি নিষ্ঠাবান হতে। কিন্তু আদৌ কতটুকু হতে পেরেছি সেটা আপনি আপনার নিজেকে জিজ্ঞেশ করলেই উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনার প্রত্তেক্টা কাজের জন্য আলাদা সময় ভাগ করে নিবেন। যেমন হচ্ছে: আপনি এখন থেকে সিদ্ধান্ত নিন আপ্নি রাত ১০টার মদ্ধ্যে খেয়ে শুয়ে পড়বেন এবং ১১টার মদ্ধ্যে সব সোসাল নেটওয়ার্কিং বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়বেন। এবং এ ভাবে আজকে থেকেই শুরু করেন। প্রথমে কস্ট হলেও আমি বলে দিতে পারি ৩-৪ দিন পর আপ্নি এ অস্ভ্যাস আয়ত্ত করতে পারবেন & খুব ভাল করে প্রত্ত্যেকটা দিন কাটাতে পারবেন ।

৪. খাবারে শাক সবজি এবং ফলমুল রাখুনঃ আপ্নার প্রত্ত্যেকদিন খাবারের সাথে চেষ্টা করুন অল্প কিছু হলেও শাক অথবা সবজি রাখার। আর চেষ্টা করুন প্রত্ত্যেকদিন অল্প কিছু হলেও ফল খেতে। ফল মানেই যে আপেল কমলা হতে হবে তা না। আপ্নি চাইলে কম দামের মদ্ধ্যে মৌসুমের ফল খেতে পারেন যেমন পেয়ারা, আনারশ,  আর আছে যদি আপনি এক্টু খুঁজেন পেয়ে যাবেন।

৫. দুপুরে ঘুমানোর অব্ভাস থাকলে বাদ দিনঃ দুপুরে ঘুমানোর জন্য যদি ডাক্টারের কোন নির্দের্শ না থাকে, তাহলে ঘুমটা বাদ দিন। কারণ দুপুরে ঘুমানোর কারনে রাতের ঘুমের বেঘ্যাত ঘটে। রাতে অনেক সময় ঘুম আসতে লেটর করে। সারাদিনে একবার ঘুমাতে যাবেন তাহলে ঘুমটা পূর্ণ হবে আপনার শরীরটাও হাল্কা লাগবে ।

৬. আ্যালকোহল, চা,  কফি কম খাওয়ার চেষ্টা করবেন:  আপনার  যদি মনে হয় চা, কফি এগুলো আপনার ঘুমের প্রব্লেম করছে, তাহলে আপ্নি এগুলো খাওয়া কমিয়ে দিতে পারেন। তবে এগুলা আসলে আমাদের মনের কিছুটা ভুল। এমন অনেকেই আছেন যারা ঘুমানোর চা খেয়ে তার পর ঘুমাতে যান।

৭. স্বাস্থকর পরিবেশ রাখুনঃ আপনার রুম সবসময় পরিস্কার এবং স্বস্থকর রাখবেন। তা না হলে আপনি যখন ঘুমাতে যাবেন আপনার বেড যদি পরিস্কার না থাকে,  আপনি চাইলেও ভালো ঘুমাতে পারবেননা ।