এপার্টমেন্ট টা তোলার সময় যখন গাঁথুনি দেয়া শুরু করেছিল তখন এক রাতে সেখানে বস্তাবন্দি একটা মেয়ের গলাকাটা লাশ পাওয়া গেল! পুলিশ এলো তদন্ত হলো জানা গেলো লাশটা তিনদিন আগের মেয়েটাকে রেপ করে মেরেছিল। তো এপার্টমেন্টের মালিক অনেক প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনা ধামাচাপা পরে গেলো। এরপর সেই এপার্টমেন্টের মালিক সেখানে গরু কেটে গরীব খাওয়ালো বিপদ কাটাতে।
আমরা তখন সেই বাসার পাশের ভবনে থাকি। এই বাড়িটা হওয়ার পরে এর পাচ তলার একটা বড় ফ্ল্যাটে উঠলাম আমরা। ঠিক বাড়িটা উঠার তিনবছর পরে।
ভুলেই গিয়েছিলাম যে এখানে লাশ পাওয়া গিয়েছিল।
তিন বেড ড্রয়িং ডাইনিং সহ পাচরুমের বাসা। সমস্যা ছিলো ড্রয়িং রুমটায়। আমরা যখন ওই বাসায় উঠি সেদিন প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিলো তো ফ্ল্যাট গুছাতে দুইদিন লেগে গেলো। তারপর স্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু। সারাদিন মা আর আব্বা বাসায় একা থাকতো। আমরা তিনবোন ক্লাস করে কোচিং করে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতাম। এসেই ফ্রেশ হয়ে শুরু হতো আড্ডা!
ভুলেই গিয়েছিলাম যে এখানে লাশ পাওয়া গিয়েছিল।
তিন বেড ড্রয়িং ডাইনিং সহ পাচরুমের বাসা। সমস্যা ছিলো ড্রয়িং রুমটায়। আমরা যখন ওই বাসায় উঠি সেদিন প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিলো তো ফ্ল্যাট গুছাতে দুইদিন লেগে গেলো। তারপর স্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু। সারাদিন মা আর আব্বা বাসায় একা থাকতো। আমরা তিনবোন ক্লাস করে কোচিং করে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতাম। এসেই ফ্রেশ হয়ে শুরু হতো আড্ডা!
যাইহোক এবার মুল কথায় আসি। ওই ফ্ল্যাটে সমস্যা ছিলো আমরা কিছুটা আচ করতে পারতাম কিন্তু জীবনের ব্যস্ততায় পাত্তা দিতাম না। একদিন আমি সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে বারান্দাতে দাড়িয়ে আমার বয়ফ্রন্ডের (বর্তমানে হাজবেন্ড) সাথে কথা বলছি দেখি নির্মানাধীন পাশের বাড়িতে একটা কুচকুচে কালো বিড়াল হাঁটাহাঁটি করছে একটু পরে ওটা স্থির হয়ে ঠিক আমার বরাবর বসে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি অন্যমনস্ক হয়ে ফোনে কথা বলছিলাম আর দৃশ্য টা দেখছিলাম। কথা শেষে রুমে ফিরেই প্রচন্ড মাথাব্যথা!
এরপর প্রায়ই ওই বিড়াল দেখতাম আর প্রতিরাতেই ওটা ঘরে ঢুকে সারা ঘর হাটতো। ওর চোখ জ্বলতো রাতে সেটা এক ভয়ংকর দৃশ্য! এক রাতে আমার সেঝ বোন ওই বিড়াল দেখে ভয় পেলো খুব তারপর থেকে আমরা সন্ধ্যায় জানালা লাগিয়ে দিতাম যাতে ওটা ঘরে আসতে না পারে। কিন্তু তারপরও ওটা কিভাবে যেন ঘরে ঢুকতো।
মা একদিন বললো রাতে কালো বিড়াল দেখলে ওরে কিছু বলিস না ওটা বিড়াল না অন্যকিছ,আর এইঘর ওর আবাস ! মায়ের কথা শুনে খুব ভয় পেলাম কিন্তু
ওটা ক্ষতি করেনি কখনো তাই স্বাভাবিক থাকতাম। এরপর আমার সেঝবোনের সাথে ঘটলো একটা আজব আর ভয়ংকর ঘটনা ।
এক রাতে আমার বোনটা রাতে টিভি দেখতে দেখতে ড্রয়িং রুমে ঘুমিয়ে গেলো আমি আর মেঝবোন ঘুমালাম আমাদের বেডরুমে ভুল হয়েছিল ওরে ডেকে তুলিনি। রাত তখন ঠিক আড়াই টা বাজে হঠাৎ ওর ঘুম ভেঙ্গে গেলো আর ও দেখে একটা কালো চেহারার মেয়ে যার চোখ দুটি জ্বলছিল ওর দিকে তাকিয়ে আছে। আর পাশেই ওই কালো বিড়াল হাঁটাহাঁটি করছে!
ও তখন সেন্সলেস হয়ে গেছিল আর আমার মায়ের একটা অভ্যাস ছিলো আমরা ঘুমানোর পরে সে রাতে যতবার উঠতো আমাদের এসে দেখে যেতো। ঠিক সেদিনও মা আমাদের রুমে এসে দেখে আমরা দুইবোন ঘুমাচ্ছি আর একজন কে না দেখতে পেয়ে সে ড্রয়িং রুমে গেল গিয়ে দেখে আমার বোন ফ্লোরে পরে আছে। ওরে ডাকার পরে ও উঠে বসেই মাকে জড়িয়ে ধরে আর নিস্তেজ হয়ে যায়। মাকে সকালে সব খুলে বলে রাতে কি দেখেছে ও ।
ওই বাসায় আমার ভাতিজাকে আরবি পড়াতে একজন হুজুর আসতো সে নাকি মাকে আগেই এই কথা বলেছিলেন যে এই রুমে একটা আত্মা আছে। সেটা অতৃপ্ত আর সুযোগ পেলেই ক্ষতি করবে যে কারও,এরপর আর রাতে ওই রুমে কেউ থাকতাম না রাতে।
আত্মাটা হয়তো সেই মেয়েরই ছিলো যার লাশ পাওয়া গেছিলো ওই বাড়ি নির্মাণ হওয়ার সময়।
এরপর প্রায়ই ওই বিড়াল দেখতাম আর প্রতিরাতেই ওটা ঘরে ঢুকে সারা ঘর হাটতো। ওর চোখ জ্বলতো রাতে সেটা এক ভয়ংকর দৃশ্য! এক রাতে আমার সেঝ বোন ওই বিড়াল দেখে ভয় পেলো খুব তারপর থেকে আমরা সন্ধ্যায় জানালা লাগিয়ে দিতাম যাতে ওটা ঘরে আসতে না পারে। কিন্তু তারপরও ওটা কিভাবে যেন ঘরে ঢুকতো।
মা একদিন বললো রাতে কালো বিড়াল দেখলে ওরে কিছু বলিস না ওটা বিড়াল না অন্যকিছ,আর এইঘর ওর আবাস ! মায়ের কথা শুনে খুব ভয় পেলাম কিন্তু
ওটা ক্ষতি করেনি কখনো তাই স্বাভাবিক থাকতাম। এরপর আমার সেঝবোনের সাথে ঘটলো একটা আজব আর ভয়ংকর ঘটনা ।
এক রাতে আমার বোনটা রাতে টিভি দেখতে দেখতে ড্রয়িং রুমে ঘুমিয়ে গেলো আমি আর মেঝবোন ঘুমালাম আমাদের বেডরুমে ভুল হয়েছিল ওরে ডেকে তুলিনি। রাত তখন ঠিক আড়াই টা বাজে হঠাৎ ওর ঘুম ভেঙ্গে গেলো আর ও দেখে একটা কালো চেহারার মেয়ে যার চোখ দুটি জ্বলছিল ওর দিকে তাকিয়ে আছে। আর পাশেই ওই কালো বিড়াল হাঁটাহাঁটি করছে!
ও তখন সেন্সলেস হয়ে গেছিল আর আমার মায়ের একটা অভ্যাস ছিলো আমরা ঘুমানোর পরে সে রাতে যতবার উঠতো আমাদের এসে দেখে যেতো। ঠিক সেদিনও মা আমাদের রুমে এসে দেখে আমরা দুইবোন ঘুমাচ্ছি আর একজন কে না দেখতে পেয়ে সে ড্রয়িং রুমে গেল গিয়ে দেখে আমার বোন ফ্লোরে পরে আছে। ওরে ডাকার পরে ও উঠে বসেই মাকে জড়িয়ে ধরে আর নিস্তেজ হয়ে যায়। মাকে সকালে সব খুলে বলে রাতে কি দেখেছে ও ।
ওই বাসায় আমার ভাতিজাকে আরবি পড়াতে একজন হুজুর আসতো সে নাকি মাকে আগেই এই কথা বলেছিলেন যে এই রুমে একটা আত্মা আছে। সেটা অতৃপ্ত আর সুযোগ পেলেই ক্ষতি করবে যে কারও,এরপর আর রাতে ওই রুমে কেউ থাকতাম না রাতে।
আত্মাটা হয়তো সেই মেয়েরই ছিলো যার লাশ পাওয়া গেছিলো ওই বাড়ি নির্মাণ হওয়ার সময়।
এখনও ওই বাসায় সেই বিড়ালের দেখা পাওয়া যায়।
আমরা একবছর থেকেই বাসা ছেড়ে দিয়েছিলাম।
বিঃদ্রঃ আমি আমার সাথে ঘটে যাওয়া সত্য ঘটনা লিখি। ভালো না লাগলে ইগ্নোর করুন বাজে কমেন্ট করবেন না।ধন্যবাদ ......
আমি গত দুইটি ঘটনা তোমাদের সাথে শেয়ার করার পর থেকেই মাথাব্যথায় ভুগছি।
Collected